ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি? | ডায়াবেটিস রোগীর খাবার কি? | ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?

ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?





ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে হলে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকা মেনে চলতে হয়। এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর ও সুষম ডায়েটেরও শরীরচর্চা করতে হবে। এতে করে ডায়াবেটিস কমিয়ে আনা সম্ভব তারপরও  যদি ডায়াবেটিস কমানো না যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ে  ওষুধ সেবন করতে হবে। 

ডায়াবেটিস রোগীর খাবারঃ

স্বাস্থ্যকর ও সুষম ডায়েটের জন্য আপনাকে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যকর খাবার প্রতিদিনের নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। এর সাথে কিছু খাবার অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে(ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?) খেতে হবে, যেমন চিনি, লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার। এসব খাওয়ার যত কমিয়ে আনা যায় ডায়েবিটিস রোগীর জন্য ততই ভালো।  এসব খাবার যতটুকু না খেলেই নয় ঠিক ততটুকুই খাওয়া উচিত। প্রতিদিনের  খাবার সময়মত খেতে হবে, এক বেলার খাবার যেন বাদ না পড়ে। 

ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়ামঃ

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম রক্তে সুগারের(গ্লুকোজ) পরিমাণ কমাতে সাহায়তা করবে। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে হলেও (ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?)আড়াই ঘণ্টা ব্যায়াম (ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?)করতে হবে।প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করলে  সপ্তাহের আড়াই ঘণ্টা থেকে বেশি ব্যায়াম করা হয়ে যায়। ডায়েবিটিস রোগী পরিবারের কাজকর্ম গুলো নিয়মিত করার (ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?)চেষ্টা করতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়াম কী  কী ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস কমবে তা আমরা এখানি লিখেছি আপনি চাইলে পড়ে নিতে পারেন। ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়াম পড়ুন।

ডায়াবেটিস রোগীর ওষুধ: 

যদি পর্যাপ্ত ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্য তালিকা মেনেও চলার পরও ডায়াবেটিস না কমে তাহলে অবশ্যই ওষুধ সেবন করা যাবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে  সবাইকে একই(ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?) ওষুধ খেতে দেওয়া হয় না একেকজন কে  একেক রকম ওষুধ প্রধান(ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?) করা হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে একাধিক ওষুধ সমন্বয় করে সেবন করতে হতে পারে। আবার কারো কারো ডায়াবেটিস সারানোর জন্য ইনসুলিনের প্রয়োজন (ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?)হতে পারে। আপনার জন্য কোন ওষুধটি সঠিক তা শুধু মাত্র  ডাক্তার আপনাকে জানাবেন।

ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?

ডায়াবেটিস মাপার জন্য অনেক রকম পদ্ধতি রয়েছে। তাই আপনি রক্তে সুগারের মাত্রা কত হলে ডায়াবেটিস নরমাল তা (ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?)কোন পদ্ধতিতে মাপছেন তার উপরে নির্ভর করবে। সাধারণত বাড়িতে কিংবা ফার্মেসিতে গ্লুকোমিটারের সাহায্যে (ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?)ডায়েবিটিস মাপা হয়। গ্লুকোমিটার দিয়ে আঙ্গুলের ডগায় থাকা রক্তনালী থেকে ডায়াবেটিস মাপা যায়। এছাড়াও  হাসপাতালের ল্যাবে শিরা থেকে রক্ত নিয়ে ব্লাড সুগার মাপা যায়। হাসপাতালের(ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?) রিপোর্টের তুলনায় গ্লুকোমিটারে মাপা ব্লাড সুগারের পয়েন্ট সামান্য(ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল?) বেশি আসতে পারে। ডায়াবেটিস মাপার দুই পদ্ধতি স্বাভাবিক মাত্রা নিয়ে এখন আমরা কথা বলবো।

গ্লুকোমিটারে দিয়ে কিভাবে ডায়াবেটিস মাপা হয়?

যদি একজন সুস্থ মানুষ গ্লুকোমিটার দিয়ে ডায়াবেটিস মাপে , তাহলে রক্তে সুগারের মাত্রা খাবার গ্রহণের(সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?)  আগে ৪-৬ পয়েন্ট (mmol/l) এবং খাবার গ্রহণের  ২ ঘণ্টা পরে ৮ পয়েন্টের নিচে হলে এই মানটাকে স্বাভাবিক মান(সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?) হিসেবে ধরা হয়। এটা গেল একটি পদ্ধতিতে এবার হাসপাতালের ল্যাবে কিভাবে ডায়াবেটিস মাপা হয় তা নিয়ে আলোচনা করবো।তাহলে শুরু করা যাক

খালি পেটে হাসপাতালের ল্যাবে ডায়াবেটিস মাপা
খালি পেটে আপনার শিরা থেকে নেওয়া রক্তে সুগারের মাত্রা (সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?)৫.৫ পয়েন্ট (mmol/l)-এর আশেপাশে থাকা উত্তম। সুগারের মাত্রা যদি ৬.১(সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?) থেকে ৬.৯ পয়েন্ট (mmol/l)-এর মধ্যে থাকে, তাহলে এই অবস্থাকে বলে প্রি-ডায়াবেটিস। প্রি-ডায়াবেটিস সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন।

 প্রি-ডায়াবেটিস বলতে এমন অবস্থাকে বোঝায় যখন আপনার টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি সৃষ্টি হয় এবং (সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?)হৃদরোগসহ অন্যান্য বিভিন্ন রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই অবস্থাকে আপনি সতর্কবার্তা হিসেবে ধরে নিয়ে (সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?)স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে মনযোগী হতে পারেন।

ভরা পেটে হাসপাতালের ল্যাবে ডায়াবেটিস মাপা

ভরা পেটে বা খাবারের পরে রক্তে সুগারের মাত্রা কিছুটা বেড়ে যাওয়া টাই স্বাভাবিক। তবে এই মাত্রা ৭.৮ পয়েন্টের (mmol/l) বেশি বেড়ে গেলে তাকে প্রি-ডায়াবেটিস ধরা হয়। আর ১১.১ পয়েন্টের বেশি হলে তা ডায়াবেটিসের মাত্রায় চলে যায়। এসব ক্ষেত্রে ডাক্তারের (সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?)পরামর্শ নিয়ে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা ভালো। শুরু থেকেই চিকিৎসা নিলে ডায়াবেটিসের সাথে অন্যান্য রোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।(সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?)

সুগারের মাত্রা কত হলে বুঝবেন ডায়াবেটিস?

সাধারণত রক্তে সুগারের মাত্রা যদি ৭ পয়েন্টের (mmol/l) উপরে চলে যায়, আমরা তাকে ডায়াবেটিস বলি। তবে এই হিসেবটা খালি পেটের। ভরা পেটে বা খাবার ২ ঘণ্টা পরে রক্তে সুগারের মাত্রা ১১.১ পয়েন্টের বেশি হলে তাকে ডায়াবেটিস ধরা হয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা জরুরি। শুরু থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ করলে ডায়াবেটিসের সাথে অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও অনেক কমে যায়।

খালি পেটে ডায়াবেটিস কত থাকে?

খালি পেটে আপনার রক্তে সুগারের মাত্রা ৫.৫ পয়েন্টের (mmol/l) আশেপাশে থাকা ভালো। যদি ৫.৫ থেকে ৬.৯ পয়েন্টের মধ্যে থাকে, এই অবস্থাকে বলে প্রি-ডায়াবেটিস। (ডায়াবেটিস কি চিরতরে নিরাময় হয়)  যদি ৭ পয়েন্টের উপরে চলে যায়, আমরা তাকে ডায়াবেটিস বলি।

ডায়াবেটিস কি চিরতরে নিরাময় হয়?
স্বাস্থ্যকর খাবার তালিকা মেনে চলা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করার মাধ্যমে রক্তে সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায়খালি পেটে ডায়াবেটিস কত থাকে? এনে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তখন আর ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিন নেয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে একথা মনে রাখা প্রয়োজন যে, সকলের পক্ষে ডায়াবেটিসেরখালি পেটে ডায়াবেটিস কত থাকে? ডায়েট এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে রক্তে সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রায় আনা সম্ভব হয় না। ডায়াবেটিসখালি পেটে ডায়াবেটিস কত থাকে? নিরাময় নিয়ে বিস্তারিত জানতে আমাদের ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা এবং ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়াম ও ওজন শীর্ষক আর্টিকেল দুটি পড়তে পারেন।

সুগার কেন বেশি হয়? 

রক্তের সুগার বেশি হওয়ার মূল কারণ শরীরে ইনসুলিন নামের হরমোনের কাজে ব্যাঘাত ঘটা। ইনসুলিন আপনার রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই হরমোনটি পাকস্থলীর পেছনে থাকা অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস নামের একটি গ্রন্থি থেকে তৈরি হয়। যখন খাবার ( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?)পরিপাক হয়ে আপনার রক্তে প্রবেশ করে, তখন এই ইনসুলিন রক্ত থেকে সুগার (গ্লুকোজকে) কোষের ভেতরে ঢুকিয়ে সেটাকে ভেঙ্গে শক্তি উৎপাদন করে। কিন্তু ডায়াবেটিস হলে আপনার দেহ সুগার তথা গ্লুকোসকে ভেঙ্গে এভাবে শক্তি উৎপাদন করতে পারে না।

ডায়াবেটিসের সাথে প্রায়ই নিচের ব্যাপারগুলোর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়:

অতিরিক্ত ওজন,শারীরিক পরিশ্রমের অভাব,পরিবারের কোন সদস্য যেমন বাবা, মা, ভাই বা বোনের টাইপ ২( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) ডায়াবেটিস থাকা সুগার কেন হয় তা ( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?)

সুগার কমানোর ঘরোয়া উপায় কী?

এমন কোন নির্দিষ্ট একটি খাবার নেই যা আপনাকে ডায়াবেটিস থেকে সারিয়ে তুলবে। তবে বিভিন্ন গবেষণায় অতিরিক্ত( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) ওজন এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাবের সাথে ডায়াবেটিসের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তাই ওজন কমানো হতে( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) পারে ঘরোয়াভাবে ব্লাড সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আনার প্রথম ধাপ।

ওজন কমানোর খাবার: ওজন কমানোর জন্য একটি সুষম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য ( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?)তালিকা মেনে চলা জরুরি। খাবার তালিকাটি এমন হবে যেন সেখানে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান পর্যাপ্ত পরিমানে( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) থাকে এবং খাবারের পরিমাপ হবে পরিমিত যেন তা ওজন কমাতে সহায়তা করে। ( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?)ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এমন একটি খাবারের তালিকা পেতে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা আর্টিকেলটি পড়ুন। 

ওজন কমানোর ব্যায়াম: ওজন কমাতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করা জরুরী। প্রতি সপ্তাহে ( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?)কমপক্ষে আড়াই ঘণ্টা ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। ঘরে বসেই কী ধরনের ব্যায়াম করলে সুগার কমবে তা আমাদের( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়াম ও ওজন আর্টিকেল থেকে জানতে পারবেন।


এভাবে ওজন ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে না আসলে আপনার ওষুধ সেবনের প্রয়োজন হতে পারে। ডায়াবেটিস কমানোর( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) ওষুধ সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন আমাদের ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা নামক আর্টিকেলে।

ডায়াবেটিস চিকিৎসায় নতুন উপায় কী?

ডায়াবেটিস চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সারিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উপায় নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন।( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?)তবে এখনও ডায়াবেটিসকে পুরোপুরি( ডায়াবেটিস কমানোর ঘরোয়া উপায় কি?) নির্মূল করার নতুন কোন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয় নি। ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা মেনে চলা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং প্রয়োজনবোধে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

0/Post a Comment/Comments

এই পোস্ট নিয়ে আপনার মতামত বা কোন ধরনের প্রশ্ন থাকলে আমাদের কমেন্ট করে জানিয়ে দিন। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ Backlink Allow contact Akram1632@yahoo.com