চাকরি থেকে রিজাইন পত্র লেখার নিয়ম। চাকরি থেকে রিজাইন লিখার নিয়ম। chakri thake rejoin letter lekhar niyom

আসসালামু আলাইকুম, আপনারা অনেকেই চাকরি  সাথে জড়িত, হতে পারে সরকারি কিংবা বেসরকারি বা  প্রাইভেট চাকরি। অনেক সময় আমাদের চাকরি থেকে রিজাইন করার প্রয়োজন পড়ে। চাকরি হতে রিজাইন বা রিজাইন জন্য আবেদন পত্র লিখতে হয়। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা চাকরি থেকে রিজাইন পত্র বা  রিজাইন লেখার নিয়ম কানুন জানেনা।

চাকরি থেকে রিজাইন পত্র লেখার নিয়ম

যারা চাকরি থেকে রিজাইন পত্র লেখার নিয়ম জানেন না তারা আজকে এই explain24.com এর পোস্ট টি শেষ পর্যন্ত পড়ুন ইনশাআল্লাহ চাকরি থেকে রিজাইন পত্র লেখার নিয়ম খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।
chakri thake rejoin letter lekhar niyom
চাকরি থেকে রিজাইন লিখার নিয়ম


চাকরি থেকে রিজাইন পত্র লেখার জন্য আবেদন পত্রের অংশ কয়টি?

কোন একটি আবেদন পত্র লেখার আগে অবশ্যই এই আবেদন পত্রের কয়টি অংশ সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখা প্রয়োজন । তাই নিচে আমরা আবেদন পত্রের অংশগুলোর লিস্ট দিয়ে দিলাম এবং তারপরে আমরা একে একে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব:
  • তারিখ বা date
  •  বরাবর / to
  •  ঠিকানা  address
  •  বিষয়বস্তু বা subject
  •  মূল বিষয় বা main part
  •  নিবেদক ( শেষ অংশ)

চাকরি থেকে রিজাইন পত্রটি লেখার নিয়ম

একটি আবেদন পত্র লেখার জন্য আপনাকে নিচে  বলা চাকরি   হতে রিজাইন জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়মগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে:
১. তারিখ বা date:

চাকরি থেকে রিজাইন আবেদন পত্র বা যেকোন চিঠি লেখার সময় সর্বপ্রথম আপনাদেরকে তারিখ দিয়ে শুরু করতে হবে সেই ব্যাপারটি এক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয় আপনার প্রথমেই যে তারিখে আবেদন পত্রটি লিখতেছেন সেই তারিখটি দিয়ে দিবেন।
২. বরাবর / to
তারিখ দেওয়ার পর আপনাদেরকে অবশ্যই এই বিষয়টি সেখানে উল্লেখ করে দিতে হবে যে আপনি কার কাছে আবেদন পত্রটি লিখছেন। এটা হতে পারে আপনার চাকরিের সভাপতি  বা সাধারণ সম্পাদক  এছাড়াও অন্যান্য কেউ হতে পারে ।
৩. ঠিকানা  address
উপরের বিষয়টি লিখে আসার পর চাকরি   হতে রিজাইন জন্য আবেদন পত্রের এই অংশে আপনাকে আপনার সেই চাকরিের ঠিকানাটি লিখে দিতে হবে। অর্থাৎ যে জায়গায় আপনি আপনার এই আবেদনপত্র পাঠিয়ে দিবেন সেই ঠিকানাটি সুন্দরভাবে এখানে উল্লেখ করে দেবেন।
৪. বিষয়বস্তু বা subject
ঠিকানা দেওয়ার পর এক লাইন গ্যাপ দিবেন তারপর এখানে সাবজেক্ট লিখবেন যে, “চাকরি   হতে রিজাইন জন্য আবেদন ” এছাড়াও যদি আপনি অন্য কারণে কোন আবেদন পত্র লিখে থাকেন তাহলে সেখানে সেই ভাবে বিষয়টি উল্লেখ করে দেবেন ।
৫. মূল বিষয় বা main part
চাকরি থেকে রিজাইন আবেদন পত্রের বিষয়বস্তু উল্লেখ করার পরে আপনাকে এই অংশে এসে আসল বিষয়টুকু উল্লেখ করে দিতে হবে। আর এখানে অবশ্যই এক লাইন গ্যাপ দিবেন এবং স্যার বা জনাব লিখে সম্মোধন করার পরে নিচের লাইন থেকে আপনার লেখা শুরু করবেন। এখানে আপনি কি জন্য চাকরি থেকে চলে যেতে চাচ্ছেন এই বিষয়টি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন ।

চাকরি থেকে রিজাইন আরোও লক্ষণীয় কিছু বিষয়ঃ

নিয়ম ঠিক রেখে একটি আবেদন পত্র লিখলেই হয় না এখানে আরও বেশ কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। কারণ এই বিষয়গুলো লক্ষ্য না করলে আপনার আবেদনটি কোন কারণে বাতিল হতে পারে।

চাকরি থেকে রিজাইন বচন ভংগি

কোম্পানির থেকে রিজাইন আবেদন পত্র লেখার আগে অবশ্যই আপনার আবেদন পত্রের বচনভঙ্গি ঠিক রাখতে হবে। এখানে অবার্জনীয় ভাষায় কিছু লেখা যাবে না। যদি পুরো পত্রটি আপনি চালিত ভাষায় লেখেন তাহলে চলিত ভাষায় লিখবেন আর যদি সাধু ভাষায় লেখেন তাহলে সাধু ভাষায় লিখবেন দুইটা ভাষা কখনোই একসাথে করার চেষ্টা করবেন না। এছাড়াও একটি আবেদন পত্র লিখতে যে বিষয়গুলো রাখতে হবে সেগুলো অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন ।

চাকরি থেকে রিজাইন লেখার ধরন

আপনাকে অবশ্যই আবেদন পত্র লেখার ধরন ঠিক রেখে কাজ করতে হবে । ওপরে আমি এই আবেদনপত্রের অংশ নিয়ে আলোচনা করেছি ,সেই অংশগুলো আপনি ঠিকভাবে লিখবেন তাহলে আশা করি আপনাদের লেখার ধরন ঠিক থাকবে । আর হ্যাঁ অবশ্যই আবেদনপত্র টি সংক্ষেপে এবং খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করবেন ।

চাকরি   হতে রিজাইন জন্য আবেদন পত্রের নমুণা

নিচে একটি নমুনা আবেদনপত্র তুলে ধরা হলো । তাহলে যদি উপরের লেখা পড়ে আপনি কিছু বুঝতে না পারেন তাহলে নিচের নমুনাটি দেখে ঠিক বুঝতে পারবেন ।
বরাবর, 
সভাপতি / সাধারণ সম্পাদক (কেন্দ্রীয় বা জেলা কমিটি)

কোম্পানির নাম ও ঠিকানা।

বিষয়ঃ চাকরি থেকে রিজাইন জন্য আবেদন।

জনাব বা স্যার,

আমি আপনার চাকরি দীর্ঘ (..) বছর যাবত.. পদে ( বা আপ্নার পদটি উল্লেখ্য করবেন) চাকুরীরত ছিলাম। এখন আমার (সমস্যার নাম) সমস্যার কারণে আমি আপনার  এই চাকরি আর থাকতে পারছি না। মহদাশয় এর নিকট আমার আকুল আবেদন, আমাকে আপনার প্রতিষ্ঠান বা চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে মর্জি থাকিবেন।

নিবেদকঃ

আপনার (আসল নাম)

আপনার পদ চাকরির id (যদি থাকে তাহলে দিবেন)

তারিখঃ যে তারিখে আবেদন পত্র লিখবেন।

পরিশেষেঃ আজকের পোস্টে আমরা খুব সহজ ভাবে আপনাদেরকে চাকরি হতে রিজাইন জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়মটি বুঝিয়ে দিয়েছি । এই নিয়ম অনুসরণ করে আপনি যে শুধু যে কোন ধরনের চাকরি থেকে রিজাইন  এর জন্য আবেদন পত্র লিখতে পারবেন এমনটা নয় আপনি চাইলে যেকোনো ধরনের আবেদনপত্র এই ফরমেট এ সাজিয়ে খুব সুন্দর হবে লিখতে পারবেন । আশা করি পোস্টটি আপনার উপকারে এসেছে চাইলে আপনি পোস্টটি অন্য কারো সাথে শেয়ার করতে পারেন এবং পোষ্টের কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হলে নিচে কমেন্ট করে জানাবেন ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url